আসসালামুয়ালাইকুম,আজ আমি ডঃ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে কিছু যুক্তিগত অপবাদের জবাব দেয়ার চেষ্টা করব।এক সময় উনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ দেয়া হতো তবে বর্তমানে ওনার বিরুদ্ধে কিছু (গরু মার্কা) যুক্তি তুলে ধরে কিছু মানুষ।আমি সেগুলোর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।অবশ্য এগুলোর কিছু উত্তর "ডঃ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ২৪টি অপবাদের জবাব" লেখাতে দেয়া হয়েছে তবে আমি এখানে সেগুলো একটু বিস্তারিত আলোচনা করব।
১)ডঃ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে এতো সমালোচনা কেন?আগে ছিল না তবে এখন কেন? আহমেদ দিদাতের বেলায় তো এমন হয় নি?
উঃ কিছু মানুষের এমন যুক্তি থাকে যে ডঃ জাকির নায়েককে প্রথম দিকে কেউ কিছু বলত না তবে এখন এসে বলা শুরু করেছে।যেসব লোক এ কথাটি বলেন তারা আসলে বোঝাতে চাচ্ছেন যে তাদের গুরু(পীর,আলেম যাই বলেন) তারা আসলে ডঃ জাকির নায়েকের বিরোধীতা করেন এ জন্য কারণ তিনি আগে ভালো ছিলেন তবে বর্তমানে খারাপ হয়ে গেছেন এবং বোঝাতে চান যে তাদের গুরুর আসলে ডঃ জাকির নায়েকের সাথে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।দ্রষ্টব্য যে এ কথাটা সম্পূর্ণ ভুয়া।কারণ ডঃ জাকির নায়েকের যে লেকচার আমরা বর্তমানে শুনি এবং দেখি তা প্রায় ৯/১০ বছর আগেকার।আর তা মাত্র আমরা বুঝতে পারছি।তাহলে এ যুক্তি আসে কীভাবে?শুধু গ্যাম্বিয়া আর দুবাইয়ে গিয়েছেন রিসেণ্ট।তাহলে বোঝা যায় মাত্র দুইটা লেকচার কিছুদিন আগের আর বাকি উনার হাজার হাজার লেকচার ১০/১২ বছর আগেকার।তাহলে এরকম অপবাদটা আসে কীভাবে যে আগে জাকির নায়েক ভালো ছিল এখন খারাপ হয়ে গেছেন?এবার আসি তার বিরুদ্ধে এতো সমালোচনা কেন? এটা স্বাভাবিক যে যখন একজন মানুষ খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তার সমালোচক থাকবেই তা সে যতোই ভালো হউক না কেন এবং যতোই হকের পক্ষে হোক না কেন।
যেমন ধরুন পৃথিবীতে মোট ১.২ বিলিয়ন মুসলিম আর বর্তমানে পৃথিবীতে মানুষ ৭ বিলিয়ন।তাহলে দেখা যাচ্ছে (৭-১.২=৫.৮) তাহলে দেখা যাচ্ছে পৃথিবীতে ৫.৮ বিলিয়ন হচ্ছে অমুসলিম।তার মানে বোঝা যায় যে পৃথিবীতে ৫.৮ বিলিয়ন মানুষ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে বিশ্বাস করে না আর আল্লাহকে নিজেদের ইলাহ মানে না আর ইসলামকে ধর্ম মানে না।
তাহলে কি আপনিও তাদের মানা অনুযায়ী.........?
না! কারণ ইসলামে অধিকাংশ জিনিসটা কখনোই গুরুত্ব দেয়া হয় না।আমরা খুব বেশি সব মুসলিমই জানি যে গণতন্ত্র ইসলামে হারাম।তাহলে তারা কোন হিসেবে এই যুক্তি দেয়? এখন তাদেরকে যদি বলা হয় ২+২=৫ তাহলে কি তারা বিশ্বাস করবে অধিকাংশের কথা নাকি সত্য,যুক্তি দ্বারা ২+২=৪ বিশ্বাস করবে?
তাহলে এই দুই নীতি কেন?আর আবারও বলতে গেলে যে ডঃ জাকির নায়েকের সমালোচক মুসলিমদের মধ্যে খুবই কম।যারা আছেন তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশে এবং ভারতে।অন্য দেশেও আছে তবে সংখ্যায় কম।আরেকটা কথা বলে রাখা ভালো যে ডঃ জাকির নায়েকের একটি সমালোচকের তালিকা তৈরী করলে সেখানে ৯০% অমুসলিমই দেখা যাবে।তাই বিষয়টা কোথায় গিয়ে ঠেকছে?বুদ্ধিমানের জন্য নাকি ইশারাই যথেষ্ট!?
এবার আসি শায়েখ আহমেদ দিদাতের কথায়।অনেকে এই যুক্তি দেন যে আহমেদ দিদাতের সময় তাদের কোনো সমস্যা ছিল না তবে জাকির নায়েক এসেই প্যাচ দিয়েছেন।বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার আগে আপনার সামনে কিছু বিষয় তুলে ধরতে চাই যে শায়েখ আহমেদ দিদাত ডঃ জাকির নায়েককে দিদাত+/দিদাত প্লাস টাইটেল দিয়েছেন তিনি নিজেই।আর সে সময় বলেন,"Son,what you have done in four years would have taken me forty years.Alhamdulillah!" অর্থাৎ,"বৎস,যা তুমি ৪ বছরে করেছো তা করতে আমার ৪০ বছর লেগে যেত।আলহামদুলিল্লাহ!" এখানে শায়েখ আহমেদের বক্তব্য এবং ডঃ জাকির নায়েককে সেই টাইটেল দিয়ে তাকে নিজের চেয়েও সফল বলেছেন।এবং কথাটাই সঠিক।কারণ শায়েখ আহমেদ দিদাতের সম্পর্কে আমরা ডঃ জাকির নায়েকের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি।ডঃ জাকির নায়েক যখন ছিল না বে আমাদের মধ্যে কতোজনই বা শায়েখ আহমেদ দিদাতকে চিনতেন?তিনি আসলে তেমন জনপ্রিয় ছিল না আর এর মূল কারণ ছিল মিডিয়া।উত্তর এভাবেই শেষ করতে চাই যে তাদেরকে মিডিয়া আড়াল করে রেখেছে বলেই এ দশা।
২)ডঃ জাকির নায়েকের কাপড় নিয়ে যত ঘ্যান ঘ্যান।
উঃ জাকির নায়েকের সমালোচকদের সবার মধ্যে সবচেয়ে হাস্যকর অপবাদের মধ্যে এই অপবাদটা হচ্ছে সবচেয়ে হাস্যকর এবং যুক্তিহীন।মজার ব্যাপার হচ্ছে যে যারা ডঃ জাকির নায়েকের কাপড় নিয়ে টানা হেচড়া করেন তারা নিজেরাই রসূল (সঃ) কে অনুসরণ না করে অন্য মানুষদের অনুসরণ করেন।যাই হোক তাদের কথা হচ্ছে যে,"ডঃ জাকির নায়েক কোট টাই পড়ে কেন খ্রিষ্টানদের অনুসরণ করছেন?" মজার বিষয় হচ্ছে কোনো খ্রিষ্টান পাদ্রী বা অন্য খ্রিষ্টান ধর্মের পদ হিসেবে এগুলো পড়ে না।এমনকি বাইবেল,কুরআন বা সহীহ হাদিসে এ বিষয়ে কিছুই বলা নেই।এখন যদি তাদের যুক্তি এরকম হয় যে খ্রিষ্টানরা পড়ে তাই সে পড়তে পারবে না।তাহলে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন যে,"খ্রিষ্টানরাও গরু খায় তাহলে আপনারা কেন খান?খ্রিষ্টানরাও গাড়িতে চরে এমনকি গাড়ি আবিষ্কার ইহুদী/খ্রিষ্টান তারাই করেছিল এমনকি রিকসা আর সাইকেল তাদেরই আবিষ্কার তাহলে কেন আপনি সাইকেল চালাচ্ছেন?রিকসায়,বাসে,গাড়িতে চরছেন?এমনকি ট্রেনও ইহুদী খ্রিষ্টানদের আবিষ্কার।তাহলে কেন ট্রেনে চরছেন?তাছাড়া যে প্লেন দিয়ে আপনি হজে যান সে প্লেনও ইহুদী/খ্রিষ্টানদের তৈরী আর প্লেন ছাড়া হজে যাওয়া অসম্ভবের কাছাকাছি।তাহলে আপনারা কেন প্লেনে যাচ্ছেন?আমার ফেসবুকের খুব ভালো একজন বন্ধু রুশো করীম(ভাই) একবার এরকম কথা বলার পর বলেছিল,"তুইও কাফের,তুইও ইহুদীদের দালাল"
আরও বহু বিষয় আমি আনতে পারি যেমন মোবাইল,বিল্ডিং,কম্পিউটার ইণ্টারনেট থেকে শুরু করে কাগজ পর্যন্ত ইহুদী খ্রিষ্টানদের তৈরী।যা থাক গে আমি বললেই তো আবার দোষ হয়ে যায়।হেহে ;) :P :D
এবার কাপড়ের পোস্ট মর্টেমে আসি।এতক্ষণ মর্গে লাশ নিচ্ছিলাম।এবার আমি আসল কাটাকাটিতে আসি।চলুন দেখে নেই বর্তমানে তথাকিত সেই মানুষরা যারা ডঃ জাকির নায়েকের কাপড় নিয়ে চিল্লা পাল্লা করে তাদের কাপড়ের উৎস আমরা দেখে আসি কেমন?চলেন দেখি এই ডঃ জাকির নায়েকের বিদ্বেষীদের পরিহিত কাপড় আর কাদের শরীরে দেখা যায়।
•জুব্বা/পাগড়ী-শিখ ধর্মের সকল অনুসারীরাই জুব্বা পড়ে আবার কেউ কেউ পাঞ্জাবিও পড়ে তবে বেশিরভাগই জুব্বা পড়ে আর হ্যাঁ পাগড়ী ছাড়া তাদের মাথা কখনো দেখাই যাই না।
•পাঞ্জাবী-নাম শোনামাত্রই বোঝা যায় যে এর সাথে হিন্দুস্থানের 'পাঞ্জাব' জায়গার সাদৃশ্য বহন করে।তাছাড়া এই পাঞ্জাবি এই হিন্দুদেরই তৈরী।তবে ভৌগোলিক কারণে মুসলিমরাও এটাকে আয়ত্ত করে ফেলেছে।
•টুপি-জৈন ধর্মের অনুসারীরা মাথায় মেয়েদের মতো একটি ঘোমটা দেয় অবশ্য বেশীরভাগ ইহুদীরাই ঠিক আমাদের মুসলিমদের মতো টুপি পড়ে।
•জুব্বা(২)- খ্রিষ্টান পাদ্রীদের দেখুন তো।একবার তাদের কাপড়গুলো ভালো করে খেয়াল করুন।কি দেখতে পাচ্ছেন?জ্বি হ্যাঁ তারাও জুব্বাই পড়ে আছে।
•জুব্বা(৩)-জুব্বাটা সোজা করে ধরুন তো? কি দেখতে পাচ্ছেন? জ্বি হ্যাঁ খ্রিষ্টানদের ক্রুসের প্রতীক বহন করছে জুব্বাটা।
•পাঞ্জাবী(৩)-পাঞ্জাবীটাও জুব্বার মতো করে সোজা করে ধরুন।কি দেখতে পাচ্ছেন? জ্বি হ্যাঁ খ্রিষ্টানদের ক্রুসের প্রতীক।হেহেহে
•বোরখা-কখনো কোনো খ্রিষ্টান নানকে দেখেছেন? তারাও তো বোরখা পড়ে।তাই বলে কি বোরখা পড়া নাজায়েজ?
বিঃদ্রঃ উপরের বিষয়গুলো শুধু উক্ত ধর্মের ভালোভাবে যারা অনুসরণ করেন তাদের শরীরেই দেখা যায়(শুধু বিধর্মীদের বেলায়)আমি মোটেই বলতে চাচ্ছি না যে আবার জুব্বা,টুপি,পায়জামা,পাগড়ী ইত্যাদি পড়া নাজায়েজ।আমি এটাই বোঝাতে চাচ্ছি যে কাপড় হচ্ছে ভৌগোলিক হিসেবে থাকে তবে আমাদের সেই কাপড়ই পড়া উচিৎ যেগুলো শরীরের হিজাব পালন করতে পারে ।জেনে রাখা উচিৎ(যারা জানেন না) মেয়েদের সহ ছেলেদেরও হিজাব আছে।এবং কোট প্যাণ্ট সেই অংশ ঢাকার ক্ষমতা রাখে।
আরও কিছু বিষয়-
•ফেসবুক-ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট তথা কমবয়সী বিলিয়নেয়ার।এর মূল কারণ হচ্ছে ফেসবুক।ফেসবুকে "ফ্রি" বলা হলেও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রত্যেক ফেসবুক ব্যবহারকারীর থেকেই এ টাকা যায়।আরও জানতে এই লিঙ্কে যান https://m.facebook.com/note.php?note_id=227210603958842
আপনারা যে ফেসবুক চালাচ্ছেন এই ফেসবুক যে ইহুদীদের তৈরী শুধু সেটা নয় বরং এর মাধ্যমে তারা প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা আয় করছে।
•লেখা-আপনি যেই কোডের সাহায্যে আমার লেখাটা পড়ছেন সেটাও ইহুদীদের তৈরী,।যেখানে যেই লেখাই লিখেন বা লিখা দেখেন তা আপনার উক্ত কোড না থাকলে একটা [] এর মতো বক্স চিহ্ন ছাড়া আর কিছুই দেখা যাবে না।আর লেখাও যাবে না।
•ইণ্টারনেট-ইণ্টারনেট ইহুদীদের তৈরী এবং আপনি যে ইণ্টারনেট বিল দেন সেগুলোর একটি অংশ এই ইহুদীদের কাছেই যায়।
এভাবে সারাদিন দেয়া যায়।হাজারটা দেয়া যায়।একটা বইও লেখা যায়।(ভবিষ্যতে লিখব কিনা ভাবছি ;) )
৩)ডঃ জাকির নায়েক ইহুদী/খ্রিষ্টানদের দালাল।সে হলো জাকির নালায়েক,কাফের নায়েক।সে একজন আট্টা কাফের
উঃ ডঃ জাকির নায়েক নিয়ে যখনই আপনি কোনো কথা বলতে যাবেন তখন কিছু মানুষ উপরোক্ত কথাগুলি বলবেন।ব্যক্তিগতভাবে আমাকেও একই জিনিস বহুবার শুনতে হয়েছে।তবে এই কথাটা যখন আমি শুনি তখন আমি এই কথাটার বিরোধীতা নারে তাকে একটু লজ্জা দিয়ে উত্তরটা দেই।
হ্যাঁ ভাই ঠিকই বলেছেন।ডঃ জাকির নায়েক একজন আট্টা কাফের,ভন্ড,নালেয়েক,ইহুদী/খ্রিষ্টান্দের দালাল।
•ডঃ জাকির নায়েক ২০০০ সালে আরেক খ্রিষ্টান ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেলকে ডিবেটে হারিয়েছেন।এই সেই ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেল যে কুরআন থেকে ৩০টি বৈজ্ঞানিক ভুল ধরে দিয়েছিলেন।যার ৮ বছর পর্যন্ত কেউ জবাব দেয় নি।শেষে ডঃ জাকির নায়েক কুরআনের বিরুদ্ধে ৩০টি অপবাদের জবাব দিলোই তো দিলোই সাথে বাইবেল থেকে ১০০টিরও বেশি ভুল ধরিয়ে দিয়ে সেই খ্রিষ্টান বেটার নাক বল্টু ঢিলা করে দেয়।নিজেই দেখুন বা ডাউনলোড করে নিন দেখুনঃ http://m.youtube.com/watch?v=UhyIdalbrW4 ডাউনলোডঃ http://m.ssyoutube.com/watch?v=UhyIdalbrW4
•ডঃ জাকির নায়েক প্রমাণ করেছেন যে কুরআনই হচ্ছে আল্লাহর বাণী দেখুনঃ http://m.youtube.com/watch?v=el-bYjxU5aY
ডাউনলোডঃ http://m.ssyoutube.com/watch?v=el-bYjxU5aY
•ডঃ জাকির নায়েক এক খ্রিষ্টানকে বিতর্কে হারিয়ে দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে ঈসা(আঃ) আল্লাহর নবী এবং তিনি মারা যান নি দেখুনঃ http://m.youtube.com/watch?v=RD6on56XSzg
ডাউনলোডঃ http://m.ssyoutube.com/watch?v=RD6on56XSzg
এগুলো তো কিছুই না! আরো জানতে এখানে যান https://m.facebook.com/note.php?note_id=1555883264647387
•ডঃ জাকির নায়েকের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ইহুদী/খ্রিষ্টানরা
•ডঃ জাকির নায়েকের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে ইসরাঈলের ইহুদীরা
•ডঃ জাকির নায়েক প্রমাণ করেছেন ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা সত্য এবং শান্তির জন্য
•ডঃ জাকির নায়েক খ্রিষ্টান ধর্মকে ভুল প্রমাণ করেছেন
•ডঃ জাকির নায়েক হিন্দু ধর্মকে ভুল প্রমাণ করেছেন
•ডঃ জাকির নায়েক জৈন ধর্মকে ভুল প্রমাণ করেছেন
•ডঃ জাকির নায়েক ইসলামের বিরুদ্ধে সব অপবাদ,ভুল ধারণা এবং প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন
আরও দেখুন http://anontheanonymous.blogspot.com/2014/10/blog-post_26.html?m=1
বিঃদ্র ডঃ জাকির নায়েকের বিরোধীতা করলে অমুসলিমরা খুশি হয়।সুতরাং কে ইহুদী/খ্রিষ্টান্দের দালাল?কে কাফের?কে নালায়েক?কে ভন্ড? ডঃ জাকির নায়েক? নাকি যারা ডঃ জাকির নায়েককে এসব বলেন তারা?
যদি এরপরও বলেন জাকির নায়েক ইহুদীদ/খ্রিষ্টান্দের দালাল,কাফের,ভন্ড,নালায়েক তাহলে আমি বলব এবং দোয়া করব এরকম ইহুদী/খ্রিষ্টান্দের দালাল,কাফের,ভন্ড,নালায়েক যেন বার বার পৃথিবীতে জন্ম নেয়।
৪)ডঃ জাকির নায়েক এবং কিছু আলেমদের নিয়ে যত ঘ্যান ঘ্যান
উঃকিছু মানুষ ডঃ জাকির নায়েকের সাথে কওমী,দেওবন্দসহ বিভিন্ন আলেমদের কথা তুলে ধরে।কীভাবে তুলে ধরে তা একটু বোঝাবার জন্য তাদের কিছু মন্তব্য আপনাদের সামনে পেশ করি।
•ডঃ জাকির নায়েক একজন গন্ডমূর্খ।তাকে কওমী আলেমরা ডিবেটের জন্য ডাকলে আসে না কেন?
•ডঃ জাকির নায়েক বাংলাদেশে আসে না কেন? কারণ সে কওমী আলেমদের কাছে দাম পায় না
•মূর্খ যেমন ভয়ে জ্ঞানীর সামনে আসে না তেমনি ডঃ জাকির নায়েক দেওবন্দ আলেমদের ডাকে সাড়া দেয় না।
এখন আপনারাই বলেন এরকম জাহেলীয় কথা কারা বলতে পারে?
আমি এ বিষয়ে জবাব দেয়ার আগে বলে দিতে চাই যে আমার কওমী,দেওবন্দ(ইত্যাদি)আলেমদের প্রতি কোনো রাগ,হিংসা,বিদ্বেষ,ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।
১৯৯২ সালে যখন ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেল কুরআন থেকে ৩০টিরও বেশি ভুল ধরিয়ে দিয়ে "The Quran and Bible in the Light of Modern Science" নামক একটি বই বের করেছিল তখন সেই তথাকিত আলেমরা কই ছিল?এই পর্যন্ত তথাকিত সেই আলেম,পীর,মুরীদ অমুসলিমদের ইসলামের বিরুদ্ধে কয়টা প্রশ্নের জবাব দিতে পেরেছে?এই পর্যন্ত তারা কতোজন অমুসলিমকে দাওয়াত দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করিয়েছে?তাদেরকে যদি ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেলের সেই ১৯৯২ সালে কুরআনের বিরুদ্ধে ৩০টা অপবাদ সামনে তুলে ধরা হয় তার মধ্যে কয়টা অপবাদের জবাব দিতে পারবে?আমার কথা হচ্ছে তারা কি এ পর্যন্ত ডঃ জাকির নায়েকের মতো কোনো খোলা প্রশ্ন/উত্তর পর্ব রেখে অমুসলিমদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে পেরেছে?আমি জানি এগুলোর উত্তর হাজার বার প্রশ্ন করলেও পাবো না।আর যতদূর ডঃ জাকির নায়েকের সাথে ডিবেটের কথা তা তো প্রশ্নই আসে না।কই সিংহ আর কই বিড়াল? পৃথিবীর কতো মানুষই তো ডঃ জাকির নায়েকের সাথে ডিবেট লাগতে চায় তাই বলে কি সব মানুষ তার সাথে ডিবেট লাগতে হবে?সবকিছুরই একটা সর্বনিম্ন মাধ্যম আছে।এখন ধরুন কোনো রিকসাওয়ালা যদি বিএম ডাব্লিউ গাড়ির ড্রাইভারকে চ্যালেঞ্জ করে আপনার কি মনে হয় উক্ত ড্রাইভার সেই চ্যালেঞ্জ নিবে?ডঃ জাকির নায়েক অবশ্য অনেক আগেই এ বিষয়ে জবাব দিয়েছেন।একবার এক সামান্য খ্রিষ্টান ডঃ জাকির নায়েককে ডিবেটে আমন্ত্রণ দিয়েছিলেন।তখন ডঃ জাকির নায়েক বলেন,"আপনি কে যে আমি আপনার সাথে ডিবেট করব?আমার সাথে ডিবেট করার কিছু যোগ্যতা লাগে যা আপনার মধ্যে নেই তবে আপনিচাইলে এপোয়েণ্টমেণ্ট নিতে পারেন আর আমার ছাত্রদের সাথে ডিবেট করতে পারেন।আমি কেনো আপনাকে জনপ্রিয় বানাতে যাব?অন্তত ১০,০০০ মানুষ আনার ক্ষমতা রাখলে আমি আপনার সাথে বিতর্ক করতে রাজি।"তাই আপনাদের কওমী আলেম,গুরু,পীর,মাজার পূজারীদের বলুন এসব যোগ্যতা পূরণ করতে বা অন্তত ১০,০০০ লোক আনার ক্ষমতা রাখতে যা ডঃ জাকির নায়েক পারেন।আরেকটা কথা এখানে না বললেই নয় আর সেটা হচ্ছে যে ডঃ জাকির নায়েক কেনো আপনার সাথে ডিবেটে বসবে? আপনি অমুসলিম?আপনি কি ইসলাম বিদ্বেষী?
আর যদি এতোই শখ থাকে তাহলে আপনাদের তথাকিত ওস্তাদদের বলেন ডঃ জাকির নায়েকের কাছে গিয়ে দেখা করে আসতে।তাহলেই তো দুধকা দুধ অর পানি কা পানি হয়ে যায়।এক জাগায় দাঁড়ায় দাঁড়ায় জাকির নায়েক,জাকির নায়েক না চেচাইয়া বরং কিছু কইরা দেখাইতে বলেন আপনাগো উস্তাদদের।কেমন?
কেউ প্রশ্ন করতে পারে যে ডঃ জাকির নায়েকের কাছে কেন যাবে?ডঃ জাকির নায়েক কেন আসবেন না?
উত্তরটা এরকম যে আপনাদের ডঃ জাকির নায়েকের আপনাদের নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান নাকি ডঃ জাকির নায়েককে নিয়ে আপনাদের ঘ্যান ঘ্যান?চুল্কানি হইলে আপনি ডাক্তারের কাছে যাবেন ডাক্তারের কোন ঠ্যাকা পরল আপনার কাছে আসবে?
৫)ডঃ জাকির নায়েক এবং বেপর্দা নারীদের নিয়ে যত ঘ্যান ঘ্যান
উঃ ডঃ জাকির নায়েক খুব সুন্দরভাবেই সবকিছু পরিচালনা করেন এবং কোনোভাবেই যেন শরীয়তের বিধান যাতে নষ্ট না হয় তা সর্বদা চেষ্টা করেন।আজ আমি তার প্রত্যেকটা লেকচার,অনুষ্ঠান পরিচালনার একটি লিখিত দৃশ্য উপস্থাপন করে দেখাব,যার মাধ্যমে ডঃ জাকির নায়েকের সাথে বেপর্দা নারীদের সমর্থক বলে ট্যাগ দেয়া কিছু মানুষদের জবাব দিব।ডঃ জাকির নায়েকের অধীনে পরিচালিত যেকোনো অনুষ্ঠান,লেকচারে বসার একটা সুন্দর পদ্ধতি রয়েছে আর তা হলো মেয়েদের পিছনে বসানো আর ছেলেদের সামনে বসানো।কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাশাপাশি বসলেও বেশ দূরত্বে থাকে পুরুষ এবং নারীরা আর তাদের মাঝখানকার দূরত্বে দেয়া থাকে এক বিশাল পর্দা।যা বসার প্রথম সিট থেকে শুরু করে শেষ সিট পর্যন্ত থাকে।যার কারণে একজন নারী একজন পুরুষকে আর একজন পুরুষ একজন নারীকে কোনো ক্রমেই দেখতে পারে না।আর আরেকটা নিয়ম যেটা আমি আগে বলছিলাম যে ছেলেরা সামনে থাকে আর মেয়েরা পিছে সেই নিয়মটাও অসাধারণ।কারণ সেখানে পর্দা না থাকলেও ছেলেদের আর মেয়েদের দূরত্ব এতোটাই যে,ছেলেরা যদি দেখার চেষ্টাও করে পিছনে ঘুরে তাহলে সে একটা সাধারণ অমানবিক চিত্র ছাড়া কিছুই দেখবে না।ডঃ জাকির নায়েকের বেলায় তো আরও কঠোর নিয়ম।তিনিতো ছেলেদেরও দেখতে পারেন না।মেয়েদের বিষয়টা তো দূরের কথা।তাহলে দেখা যাচ্ছে যে এখানে পর্দা কোনো বিধান খেলাফ করে নি।তাহলে প্রশ্ন ওঠে যে আর কি সমস্যা আছে?এখানে বিষয়টি খেয়াল করবেন যে ডঃ জাকির নায়েকসহ যতো ছেলে আছে তারা কেউ মেয়েদের দেখতে পারে না সেই দুটি নিয়মের কারণে।আর মাঝে মাঝে যে বেপর্দা নারীদের দেখেন তাদের তো আর ডঃ জাকির নায়েক বা কোনো ছেলে দেখেন না।তাহলে সমস্যাটা কই?আরেকটা কথা হচ্ছে যে আমাদের পাশে যে কতো বেপর্দা মহিলা ঘুরছে আমারা কি তাদের জোর করি? না! কেন? কারণ ইসলাম এর অনুমূতি দেয় না যে একজন পরপুরুষ একজন মহিলাকে হিজাব করার জন্য জোর করবে।সর্বোচ্চ আপনি উপদেশ বা পরামর্শ দিতে পারেন।তাহলে এই দুমুখী নীতি কেন?ওয়াহাই?
ও হ্যাঁ আর সোহালী খানের ব্যাপারে যেটা ঘটেছিল সেটা ছিল ধোঁকা।সেখানে অনেক কিছুই ঘটেছিল যা ডঃ জাকির নায়েককে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল কিছু হিন্দু মিডিয়ার লোক।তবে সেখানে কি ডঃ জাকির নায়েক তার হিজাব ভঙ্গ করেছেন? তিনি কি একবারও সোহালী খানের দিকে তাকিয়েছিলেন?তাহলে দেখা যাচ্ছে যে ডঃ জাকির নায়েক যে তার হিজাব ভঙ্গ করে নি।তাহলে আর সমস্যা কই?আর সোহালী খানের সেই ঘটনাটিতে ডঃ জাকির নায়েকের সাথে হিন্দু মিডিয়ার লোকেরা কীভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তা নিয়ে তো হাজার হাজার ভিডিও আছেই।"মুমিন পুরুষদের বলো তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানকে হেফাজতে রাখে"(সূরা নূর ২৪ঃ৩০) এটাই হচ্ছে পুরুষদের হিজাবের নিয়ম।
৬)ডঃ জাকির নায়েক এবং পিস টেকনোলজি নিয়ে যতো ঘ্যান ঘ্যান
উঃ২ নং পয়েণ্টটা অবশ্যই পড়তে হবে যদি এটার উত্তর বুঝতে চান তা নাহলে ছাতার মাথা কিছুই বুঝবেন না। মুসলিমরা যদি ব্যবসা করি হালাল জিনিস নিয়ে তাহলে এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।তাহলে পিস টেকনোলজিতে হারাম কি আছে?এগুলো তো মুসলিমদেরই তৈরী।ইহুদী/খ্রিষ্টানদের তৈরী সবকিছু দিয়ে নিজের জীবন-যাপন করছেন আবার তাদের পণ্যের পিছনে টাকা ব্যয় করতে পারছেন তবে মুসলিমরা সেগুলো করলে সমস্যা কি?বরং এ টাকাগুলো দিয়ে পিস টেকনোলজি ব্যবহার করছেন সেগুলো কিন্তু "United Islamic Aid" এ যাচ্ছে যার পুরোটা অংশ যাচ্ছে বঞ্চিত মুসলিম ভাই,বোন এবং শিশুদের জন্য এবং আলহামদুলিল্লাহ একটি সুন্দর জীবন যাপন করতে পারছে।তাহলে এখানে সমস্যাটা কই?আচ্ছা কাপড় নিয়ে ব্যবসার করা কি হারাম না হালাল?সুশীল কাপড় দিয়ে ব্যবসা করলে কোনো সমস্যা নাই তবে অশ্লীল কাপড়ে করলে সমস্যা।ইমাম আবু হানিফও তো কাপড়ের ব্যবসা করত তেমনি কাপড়ে যেমন ভালো খারাপ প্রকারভেদ আছে তেমনি মোবাইলেও আছে।তাহলে ভালো কাজে ব্যবহার করলে সমস্যা কই?এখানেও আবার দু মুখী নীতি কেন?ওয়াহাই?কৃষ্ণ করলে লীলা খেলা আর আমি করলেই দোষ?
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
১)ডঃ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে এতো সমালোচনা কেন?আগে ছিল না তবে এখন কেন? আহমেদ দিদাতের বেলায় তো এমন হয় নি?
উঃ কিছু মানুষের এমন যুক্তি থাকে যে ডঃ জাকির নায়েককে প্রথম দিকে কেউ কিছু বলত না তবে এখন এসে বলা শুরু করেছে।যেসব লোক এ কথাটি বলেন তারা আসলে বোঝাতে চাচ্ছেন যে তাদের গুরু(পীর,আলেম যাই বলেন) তারা আসলে ডঃ জাকির নায়েকের বিরোধীতা করেন এ জন্য কারণ তিনি আগে ভালো ছিলেন তবে বর্তমানে খারাপ হয়ে গেছেন এবং বোঝাতে চান যে তাদের গুরুর আসলে ডঃ জাকির নায়েকের সাথে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।দ্রষ্টব্য যে এ কথাটা সম্পূর্ণ ভুয়া।কারণ ডঃ জাকির নায়েকের যে লেকচার আমরা বর্তমানে শুনি এবং দেখি তা প্রায় ৯/১০ বছর আগেকার।আর তা মাত্র আমরা বুঝতে পারছি।তাহলে এ যুক্তি আসে কীভাবে?শুধু গ্যাম্বিয়া আর দুবাইয়ে গিয়েছেন রিসেণ্ট।তাহলে বোঝা যায় মাত্র দুইটা লেকচার কিছুদিন আগের আর বাকি উনার হাজার হাজার লেকচার ১০/১২ বছর আগেকার।তাহলে এরকম অপবাদটা আসে কীভাবে যে আগে জাকির নায়েক ভালো ছিল এখন খারাপ হয়ে গেছেন?এবার আসি তার বিরুদ্ধে এতো সমালোচনা কেন? এটা স্বাভাবিক যে যখন একজন মানুষ খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তার সমালোচক থাকবেই তা সে যতোই ভালো হউক না কেন এবং যতোই হকের পক্ষে হোক না কেন।
যেমন ধরুন পৃথিবীতে মোট ১.২ বিলিয়ন মুসলিম আর বর্তমানে পৃথিবীতে মানুষ ৭ বিলিয়ন।তাহলে দেখা যাচ্ছে (৭-১.২=৫.৮) তাহলে দেখা যাচ্ছে পৃথিবীতে ৫.৮ বিলিয়ন হচ্ছে অমুসলিম।তার মানে বোঝা যায় যে পৃথিবীতে ৫.৮ বিলিয়ন মানুষ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে বিশ্বাস করে না আর আল্লাহকে নিজেদের ইলাহ মানে না আর ইসলামকে ধর্ম মানে না।
তাহলে কি আপনিও তাদের মানা অনুযায়ী.........?
না! কারণ ইসলামে অধিকাংশ জিনিসটা কখনোই গুরুত্ব দেয়া হয় না।আমরা খুব বেশি সব মুসলিমই জানি যে গণতন্ত্র ইসলামে হারাম।তাহলে তারা কোন হিসেবে এই যুক্তি দেয়? এখন তাদেরকে যদি বলা হয় ২+২=৫ তাহলে কি তারা বিশ্বাস করবে অধিকাংশের কথা নাকি সত্য,যুক্তি দ্বারা ২+২=৪ বিশ্বাস করবে?
তাহলে এই দুই নীতি কেন?আর আবারও বলতে গেলে যে ডঃ জাকির নায়েকের সমালোচক মুসলিমদের মধ্যে খুবই কম।যারা আছেন তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশে এবং ভারতে।অন্য দেশেও আছে তবে সংখ্যায় কম।আরেকটা কথা বলে রাখা ভালো যে ডঃ জাকির নায়েকের একটি সমালোচকের তালিকা তৈরী করলে সেখানে ৯০% অমুসলিমই দেখা যাবে।তাই বিষয়টা কোথায় গিয়ে ঠেকছে?বুদ্ধিমানের জন্য নাকি ইশারাই যথেষ্ট!?
এবার আসি শায়েখ আহমেদ দিদাতের কথায়।অনেকে এই যুক্তি দেন যে আহমেদ দিদাতের সময় তাদের কোনো সমস্যা ছিল না তবে জাকির নায়েক এসেই প্যাচ দিয়েছেন।বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার আগে আপনার সামনে কিছু বিষয় তুলে ধরতে চাই যে শায়েখ আহমেদ দিদাত ডঃ জাকির নায়েককে দিদাত+/দিদাত প্লাস টাইটেল দিয়েছেন তিনি নিজেই।আর সে সময় বলেন,"Son,what you have done in four years would have taken me forty years.Alhamdulillah!" অর্থাৎ,"বৎস,যা তুমি ৪ বছরে করেছো তা করতে আমার ৪০ বছর লেগে যেত।আলহামদুলিল্লাহ!" এখানে শায়েখ আহমেদের বক্তব্য এবং ডঃ জাকির নায়েককে সেই টাইটেল দিয়ে তাকে নিজের চেয়েও সফল বলেছেন।এবং কথাটাই সঠিক।কারণ শায়েখ আহমেদ দিদাতের সম্পর্কে আমরা ডঃ জাকির নায়েকের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি।ডঃ জাকির নায়েক যখন ছিল না বে আমাদের মধ্যে কতোজনই বা শায়েখ আহমেদ দিদাতকে চিনতেন?তিনি আসলে তেমন জনপ্রিয় ছিল না আর এর মূল কারণ ছিল মিডিয়া।উত্তর এভাবেই শেষ করতে চাই যে তাদেরকে মিডিয়া আড়াল করে রেখেছে বলেই এ দশা।
২)ডঃ জাকির নায়েকের কাপড় নিয়ে যত ঘ্যান ঘ্যান।
উঃ জাকির নায়েকের সমালোচকদের সবার মধ্যে সবচেয়ে হাস্যকর অপবাদের মধ্যে এই অপবাদটা হচ্ছে সবচেয়ে হাস্যকর এবং যুক্তিহীন।মজার ব্যাপার হচ্ছে যে যারা ডঃ জাকির নায়েকের কাপড় নিয়ে টানা হেচড়া করেন তারা নিজেরাই রসূল (সঃ) কে অনুসরণ না করে অন্য মানুষদের অনুসরণ করেন।যাই হোক তাদের কথা হচ্ছে যে,"ডঃ জাকির নায়েক কোট টাই পড়ে কেন খ্রিষ্টানদের অনুসরণ করছেন?" মজার বিষয় হচ্ছে কোনো খ্রিষ্টান পাদ্রী বা অন্য খ্রিষ্টান ধর্মের পদ হিসেবে এগুলো পড়ে না।এমনকি বাইবেল,কুরআন বা সহীহ হাদিসে এ বিষয়ে কিছুই বলা নেই।এখন যদি তাদের যুক্তি এরকম হয় যে খ্রিষ্টানরা পড়ে তাই সে পড়তে পারবে না।তাহলে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন যে,"খ্রিষ্টানরাও গরু খায় তাহলে আপনারা কেন খান?খ্রিষ্টানরাও গাড়িতে চরে এমনকি গাড়ি আবিষ্কার ইহুদী/খ্রিষ্টান তারাই করেছিল এমনকি রিকসা আর সাইকেল তাদেরই আবিষ্কার তাহলে কেন আপনি সাইকেল চালাচ্ছেন?রিকসায়,বাসে,গাড়িতে চরছেন?এমনকি ট্রেনও ইহুদী খ্রিষ্টানদের আবিষ্কার।তাহলে কেন ট্রেনে চরছেন?তাছাড়া যে প্লেন দিয়ে আপনি হজে যান সে প্লেনও ইহুদী/খ্রিষ্টানদের তৈরী আর প্লেন ছাড়া হজে যাওয়া অসম্ভবের কাছাকাছি।তাহলে আপনারা কেন প্লেনে যাচ্ছেন?আমার ফেসবুকের খুব ভালো একজন বন্ধু রুশো করীম(ভাই) একবার এরকম কথা বলার পর বলেছিল,"তুইও কাফের,তুইও ইহুদীদের দালাল"
আরও বহু বিষয় আমি আনতে পারি যেমন মোবাইল,বিল্ডিং,কম্পিউটার ইণ্টারনেট থেকে শুরু করে কাগজ পর্যন্ত ইহুদী খ্রিষ্টানদের তৈরী।যা থাক গে আমি বললেই তো আবার দোষ হয়ে যায়।হেহে ;) :P :D
এবার কাপড়ের পোস্ট মর্টেমে আসি।এতক্ষণ মর্গে লাশ নিচ্ছিলাম।এবার আমি আসল কাটাকাটিতে আসি।চলুন দেখে নেই বর্তমানে তথাকিত সেই মানুষরা যারা ডঃ জাকির নায়েকের কাপড় নিয়ে চিল্লা পাল্লা করে তাদের কাপড়ের উৎস আমরা দেখে আসি কেমন?চলেন দেখি এই ডঃ জাকির নায়েকের বিদ্বেষীদের পরিহিত কাপড় আর কাদের শরীরে দেখা যায়।
•জুব্বা/পাগড়ী-শিখ ধর্মের সকল অনুসারীরাই জুব্বা পড়ে আবার কেউ কেউ পাঞ্জাবিও পড়ে তবে বেশিরভাগই জুব্বা পড়ে আর হ্যাঁ পাগড়ী ছাড়া তাদের মাথা কখনো দেখাই যাই না।
•পাঞ্জাবী-নাম শোনামাত্রই বোঝা যায় যে এর সাথে হিন্দুস্থানের 'পাঞ্জাব' জায়গার সাদৃশ্য বহন করে।তাছাড়া এই পাঞ্জাবি এই হিন্দুদেরই তৈরী।তবে ভৌগোলিক কারণে মুসলিমরাও এটাকে আয়ত্ত করে ফেলেছে।
•টুপি-জৈন ধর্মের অনুসারীরা মাথায় মেয়েদের মতো একটি ঘোমটা দেয় অবশ্য বেশীরভাগ ইহুদীরাই ঠিক আমাদের মুসলিমদের মতো টুপি পড়ে।
•জুব্বা(২)- খ্রিষ্টান পাদ্রীদের দেখুন তো।একবার তাদের কাপড়গুলো ভালো করে খেয়াল করুন।কি দেখতে পাচ্ছেন?জ্বি হ্যাঁ তারাও জুব্বাই পড়ে আছে।
•জুব্বা(৩)-জুব্বাটা সোজা করে ধরুন তো? কি দেখতে পাচ্ছেন? জ্বি হ্যাঁ খ্রিষ্টানদের ক্রুসের প্রতীক বহন করছে জুব্বাটা।
•পাঞ্জাবী(৩)-পাঞ্জাবীটাও জুব্বার মতো করে সোজা করে ধরুন।কি দেখতে পাচ্ছেন? জ্বি হ্যাঁ খ্রিষ্টানদের ক্রুসের প্রতীক।হেহেহে
•বোরখা-কখনো কোনো খ্রিষ্টান নানকে দেখেছেন? তারাও তো বোরখা পড়ে।তাই বলে কি বোরখা পড়া নাজায়েজ?
বিঃদ্রঃ উপরের বিষয়গুলো শুধু উক্ত ধর্মের ভালোভাবে যারা অনুসরণ করেন তাদের শরীরেই দেখা যায়(শুধু বিধর্মীদের বেলায়)আমি মোটেই বলতে চাচ্ছি না যে আবার জুব্বা,টুপি,পায়জামা,পাগড়ী ইত্যাদি পড়া নাজায়েজ।আমি এটাই বোঝাতে চাচ্ছি যে কাপড় হচ্ছে ভৌগোলিক হিসেবে থাকে তবে আমাদের সেই কাপড়ই পড়া উচিৎ যেগুলো শরীরের হিজাব পালন করতে পারে ।জেনে রাখা উচিৎ(যারা জানেন না) মেয়েদের সহ ছেলেদেরও হিজাব আছে।এবং কোট প্যাণ্ট সেই অংশ ঢাকার ক্ষমতা রাখে।
আরও কিছু বিষয়-
•ফেসবুক-ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট তথা কমবয়সী বিলিয়নেয়ার।এর মূল কারণ হচ্ছে ফেসবুক।ফেসবুকে "ফ্রি" বলা হলেও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রত্যেক ফেসবুক ব্যবহারকারীর থেকেই এ টাকা যায়।আরও জানতে এই লিঙ্কে যান https://m.facebook.com/note.php?note_id=227210603958842
আপনারা যে ফেসবুক চালাচ্ছেন এই ফেসবুক যে ইহুদীদের তৈরী শুধু সেটা নয় বরং এর মাধ্যমে তারা প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা আয় করছে।
•লেখা-আপনি যেই কোডের সাহায্যে আমার লেখাটা পড়ছেন সেটাও ইহুদীদের তৈরী,।যেখানে যেই লেখাই লিখেন বা লিখা দেখেন তা আপনার উক্ত কোড না থাকলে একটা [] এর মতো বক্স চিহ্ন ছাড়া আর কিছুই দেখা যাবে না।আর লেখাও যাবে না।
•ইণ্টারনেট-ইণ্টারনেট ইহুদীদের তৈরী এবং আপনি যে ইণ্টারনেট বিল দেন সেগুলোর একটি অংশ এই ইহুদীদের কাছেই যায়।
এভাবে সারাদিন দেয়া যায়।হাজারটা দেয়া যায়।একটা বইও লেখা যায়।(ভবিষ্যতে লিখব কিনা ভাবছি ;) )
৩)ডঃ জাকির নায়েক ইহুদী/খ্রিষ্টানদের দালাল।সে হলো জাকির নালায়েক,কাফের নায়েক।সে একজন আট্টা কাফের
উঃ ডঃ জাকির নায়েক নিয়ে যখনই আপনি কোনো কথা বলতে যাবেন তখন কিছু মানুষ উপরোক্ত কথাগুলি বলবেন।ব্যক্তিগতভাবে আমাকেও একই জিনিস বহুবার শুনতে হয়েছে।তবে এই কথাটা যখন আমি শুনি তখন আমি এই কথাটার বিরোধীতা নারে তাকে একটু লজ্জা দিয়ে উত্তরটা দেই।
হ্যাঁ ভাই ঠিকই বলেছেন।ডঃ জাকির নায়েক একজন আট্টা কাফের,ভন্ড,নালেয়েক,ইহুদী/খ্রিষ্টান্দের দালাল।
•ডঃ জাকির নায়েক ২০০০ সালে আরেক খ্রিষ্টান ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেলকে ডিবেটে হারিয়েছেন।এই সেই ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেল যে কুরআন থেকে ৩০টি বৈজ্ঞানিক ভুল ধরে দিয়েছিলেন।যার ৮ বছর পর্যন্ত কেউ জবাব দেয় নি।শেষে ডঃ জাকির নায়েক কুরআনের বিরুদ্ধে ৩০টি অপবাদের জবাব দিলোই তো দিলোই সাথে বাইবেল থেকে ১০০টিরও বেশি ভুল ধরিয়ে দিয়ে সেই খ্রিষ্টান বেটার নাক বল্টু ঢিলা করে দেয়।নিজেই দেখুন বা ডাউনলোড করে নিন দেখুনঃ http://m.youtube.com/watch?v=UhyIdalbrW4 ডাউনলোডঃ http://m.ssyoutube.com/watch?v=UhyIdalbrW4
•ডঃ জাকির নায়েক প্রমাণ করেছেন যে কুরআনই হচ্ছে আল্লাহর বাণী দেখুনঃ http://m.youtube.com/watch?v=el-bYjxU5aY
ডাউনলোডঃ http://m.ssyoutube.com/watch?v=el-bYjxU5aY
•ডঃ জাকির নায়েক এক খ্রিষ্টানকে বিতর্কে হারিয়ে দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে ঈসা(আঃ) আল্লাহর নবী এবং তিনি মারা যান নি দেখুনঃ http://m.youtube.com/watch?v=RD6on56XSzg
ডাউনলোডঃ http://m.ssyoutube.com/watch?v=RD6on56XSzg
এগুলো তো কিছুই না! আরো জানতে এখানে যান https://m.facebook.com/note.php?note_id=1555883264647387
•ডঃ জাকির নায়েকের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ইহুদী/খ্রিষ্টানরা
•ডঃ জাকির নায়েকের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে ইসরাঈলের ইহুদীরা
•ডঃ জাকির নায়েক প্রমাণ করেছেন ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা সত্য এবং শান্তির জন্য
•ডঃ জাকির নায়েক খ্রিষ্টান ধর্মকে ভুল প্রমাণ করেছেন
•ডঃ জাকির নায়েক হিন্দু ধর্মকে ভুল প্রমাণ করেছেন
•ডঃ জাকির নায়েক জৈন ধর্মকে ভুল প্রমাণ করেছেন
•ডঃ জাকির নায়েক ইসলামের বিরুদ্ধে সব অপবাদ,ভুল ধারণা এবং প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন
আরও দেখুন http://anontheanonymous.blogspot.com/2014/10/blog-post_26.html?m=1
বিঃদ্র ডঃ জাকির নায়েকের বিরোধীতা করলে অমুসলিমরা খুশি হয়।সুতরাং কে ইহুদী/খ্রিষ্টান্দের দালাল?কে কাফের?কে নালায়েক?কে ভন্ড? ডঃ জাকির নায়েক? নাকি যারা ডঃ জাকির নায়েককে এসব বলেন তারা?
যদি এরপরও বলেন জাকির নায়েক ইহুদীদ/খ্রিষ্টান্দের দালাল,কাফের,ভন্ড,নালায়েক তাহলে আমি বলব এবং দোয়া করব এরকম ইহুদী/খ্রিষ্টান্দের দালাল,কাফের,ভন্ড,নালায়েক যেন বার বার পৃথিবীতে জন্ম নেয়।
৪)ডঃ জাকির নায়েক এবং কিছু আলেমদের নিয়ে যত ঘ্যান ঘ্যান
উঃকিছু মানুষ ডঃ জাকির নায়েকের সাথে কওমী,দেওবন্দসহ বিভিন্ন আলেমদের কথা তুলে ধরে।কীভাবে তুলে ধরে তা একটু বোঝাবার জন্য তাদের কিছু মন্তব্য আপনাদের সামনে পেশ করি।
•ডঃ জাকির নায়েক একজন গন্ডমূর্খ।তাকে কওমী আলেমরা ডিবেটের জন্য ডাকলে আসে না কেন?
•ডঃ জাকির নায়েক বাংলাদেশে আসে না কেন? কারণ সে কওমী আলেমদের কাছে দাম পায় না
•মূর্খ যেমন ভয়ে জ্ঞানীর সামনে আসে না তেমনি ডঃ জাকির নায়েক দেওবন্দ আলেমদের ডাকে সাড়া দেয় না।
এখন আপনারাই বলেন এরকম জাহেলীয় কথা কারা বলতে পারে?
আমি এ বিষয়ে জবাব দেয়ার আগে বলে দিতে চাই যে আমার কওমী,দেওবন্দ(ইত্যাদি)আলেমদের প্রতি কোনো রাগ,হিংসা,বিদ্বেষ,ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।
১৯৯২ সালে যখন ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেল কুরআন থেকে ৩০টিরও বেশি ভুল ধরিয়ে দিয়ে "The Quran and Bible in the Light of Modern Science" নামক একটি বই বের করেছিল তখন সেই তথাকিত আলেমরা কই ছিল?এই পর্যন্ত তথাকিত সেই আলেম,পীর,মুরীদ অমুসলিমদের ইসলামের বিরুদ্ধে কয়টা প্রশ্নের জবাব দিতে পেরেছে?এই পর্যন্ত তারা কতোজন অমুসলিমকে দাওয়াত দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করিয়েছে?তাদেরকে যদি ডঃ উইলিয়াম ক্যাম্বেলের সেই ১৯৯২ সালে কুরআনের বিরুদ্ধে ৩০টা অপবাদ সামনে তুলে ধরা হয় তার মধ্যে কয়টা অপবাদের জবাব দিতে পারবে?আমার কথা হচ্ছে তারা কি এ পর্যন্ত ডঃ জাকির নায়েকের মতো কোনো খোলা প্রশ্ন/উত্তর পর্ব রেখে অমুসলিমদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে পেরেছে?আমি জানি এগুলোর উত্তর হাজার বার প্রশ্ন করলেও পাবো না।আর যতদূর ডঃ জাকির নায়েকের সাথে ডিবেটের কথা তা তো প্রশ্নই আসে না।কই সিংহ আর কই বিড়াল? পৃথিবীর কতো মানুষই তো ডঃ জাকির নায়েকের সাথে ডিবেট লাগতে চায় তাই বলে কি সব মানুষ তার সাথে ডিবেট লাগতে হবে?সবকিছুরই একটা সর্বনিম্ন মাধ্যম আছে।এখন ধরুন কোনো রিকসাওয়ালা যদি বিএম ডাব্লিউ গাড়ির ড্রাইভারকে চ্যালেঞ্জ করে আপনার কি মনে হয় উক্ত ড্রাইভার সেই চ্যালেঞ্জ নিবে?ডঃ জাকির নায়েক অবশ্য অনেক আগেই এ বিষয়ে জবাব দিয়েছেন।একবার এক সামান্য খ্রিষ্টান ডঃ জাকির নায়েককে ডিবেটে আমন্ত্রণ দিয়েছিলেন।তখন ডঃ জাকির নায়েক বলেন,"আপনি কে যে আমি আপনার সাথে ডিবেট করব?আমার সাথে ডিবেট করার কিছু যোগ্যতা লাগে যা আপনার মধ্যে নেই তবে আপনিচাইলে এপোয়েণ্টমেণ্ট নিতে পারেন আর আমার ছাত্রদের সাথে ডিবেট করতে পারেন।আমি কেনো আপনাকে জনপ্রিয় বানাতে যাব?অন্তত ১০,০০০ মানুষ আনার ক্ষমতা রাখলে আমি আপনার সাথে বিতর্ক করতে রাজি।"তাই আপনাদের কওমী আলেম,গুরু,পীর,মাজার পূজারীদের বলুন এসব যোগ্যতা পূরণ করতে বা অন্তত ১০,০০০ লোক আনার ক্ষমতা রাখতে যা ডঃ জাকির নায়েক পারেন।আরেকটা কথা এখানে না বললেই নয় আর সেটা হচ্ছে যে ডঃ জাকির নায়েক কেনো আপনার সাথে ডিবেটে বসবে? আপনি অমুসলিম?আপনি কি ইসলাম বিদ্বেষী?
আর যদি এতোই শখ থাকে তাহলে আপনাদের তথাকিত ওস্তাদদের বলেন ডঃ জাকির নায়েকের কাছে গিয়ে দেখা করে আসতে।তাহলেই তো দুধকা দুধ অর পানি কা পানি হয়ে যায়।এক জাগায় দাঁড়ায় দাঁড়ায় জাকির নায়েক,জাকির নায়েক না চেচাইয়া বরং কিছু কইরা দেখাইতে বলেন আপনাগো উস্তাদদের।কেমন?
কেউ প্রশ্ন করতে পারে যে ডঃ জাকির নায়েকের কাছে কেন যাবে?ডঃ জাকির নায়েক কেন আসবেন না?
উত্তরটা এরকম যে আপনাদের ডঃ জাকির নায়েকের আপনাদের নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান নাকি ডঃ জাকির নায়েককে নিয়ে আপনাদের ঘ্যান ঘ্যান?চুল্কানি হইলে আপনি ডাক্তারের কাছে যাবেন ডাক্তারের কোন ঠ্যাকা পরল আপনার কাছে আসবে?
৫)ডঃ জাকির নায়েক এবং বেপর্দা নারীদের নিয়ে যত ঘ্যান ঘ্যান
উঃ ডঃ জাকির নায়েক খুব সুন্দরভাবেই সবকিছু পরিচালনা করেন এবং কোনোভাবেই যেন শরীয়তের বিধান যাতে নষ্ট না হয় তা সর্বদা চেষ্টা করেন।আজ আমি তার প্রত্যেকটা লেকচার,অনুষ্ঠান পরিচালনার একটি লিখিত দৃশ্য উপস্থাপন করে দেখাব,যার মাধ্যমে ডঃ জাকির নায়েকের সাথে বেপর্দা নারীদের সমর্থক বলে ট্যাগ দেয়া কিছু মানুষদের জবাব দিব।ডঃ জাকির নায়েকের অধীনে পরিচালিত যেকোনো অনুষ্ঠান,লেকচারে বসার একটা সুন্দর পদ্ধতি রয়েছে আর তা হলো মেয়েদের পিছনে বসানো আর ছেলেদের সামনে বসানো।কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাশাপাশি বসলেও বেশ দূরত্বে থাকে পুরুষ এবং নারীরা আর তাদের মাঝখানকার দূরত্বে দেয়া থাকে এক বিশাল পর্দা।যা বসার প্রথম সিট থেকে শুরু করে শেষ সিট পর্যন্ত থাকে।যার কারণে একজন নারী একজন পুরুষকে আর একজন পুরুষ একজন নারীকে কোনো ক্রমেই দেখতে পারে না।আর আরেকটা নিয়ম যেটা আমি আগে বলছিলাম যে ছেলেরা সামনে থাকে আর মেয়েরা পিছে সেই নিয়মটাও অসাধারণ।কারণ সেখানে পর্দা না থাকলেও ছেলেদের আর মেয়েদের দূরত্ব এতোটাই যে,ছেলেরা যদি দেখার চেষ্টাও করে পিছনে ঘুরে তাহলে সে একটা সাধারণ অমানবিক চিত্র ছাড়া কিছুই দেখবে না।ডঃ জাকির নায়েকের বেলায় তো আরও কঠোর নিয়ম।তিনিতো ছেলেদেরও দেখতে পারেন না।মেয়েদের বিষয়টা তো দূরের কথা।তাহলে দেখা যাচ্ছে যে এখানে পর্দা কোনো বিধান খেলাফ করে নি।তাহলে প্রশ্ন ওঠে যে আর কি সমস্যা আছে?এখানে বিষয়টি খেয়াল করবেন যে ডঃ জাকির নায়েকসহ যতো ছেলে আছে তারা কেউ মেয়েদের দেখতে পারে না সেই দুটি নিয়মের কারণে।আর মাঝে মাঝে যে বেপর্দা নারীদের দেখেন তাদের তো আর ডঃ জাকির নায়েক বা কোনো ছেলে দেখেন না।তাহলে সমস্যাটা কই?আরেকটা কথা হচ্ছে যে আমাদের পাশে যে কতো বেপর্দা মহিলা ঘুরছে আমারা কি তাদের জোর করি? না! কেন? কারণ ইসলাম এর অনুমূতি দেয় না যে একজন পরপুরুষ একজন মহিলাকে হিজাব করার জন্য জোর করবে।সর্বোচ্চ আপনি উপদেশ বা পরামর্শ দিতে পারেন।তাহলে এই দুমুখী নীতি কেন?ওয়াহাই?
ও হ্যাঁ আর সোহালী খানের ব্যাপারে যেটা ঘটেছিল সেটা ছিল ধোঁকা।সেখানে অনেক কিছুই ঘটেছিল যা ডঃ জাকির নায়েককে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল কিছু হিন্দু মিডিয়ার লোক।তবে সেখানে কি ডঃ জাকির নায়েক তার হিজাব ভঙ্গ করেছেন? তিনি কি একবারও সোহালী খানের দিকে তাকিয়েছিলেন?তাহলে দেখা যাচ্ছে যে ডঃ জাকির নায়েক যে তার হিজাব ভঙ্গ করে নি।তাহলে আর সমস্যা কই?আর সোহালী খানের সেই ঘটনাটিতে ডঃ জাকির নায়েকের সাথে হিন্দু মিডিয়ার লোকেরা কীভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তা নিয়ে তো হাজার হাজার ভিডিও আছেই।"মুমিন পুরুষদের বলো তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানকে হেফাজতে রাখে"(সূরা নূর ২৪ঃ৩০) এটাই হচ্ছে পুরুষদের হিজাবের নিয়ম।
৬)ডঃ জাকির নায়েক এবং পিস টেকনোলজি নিয়ে যতো ঘ্যান ঘ্যান
উঃ২ নং পয়েণ্টটা অবশ্যই পড়তে হবে যদি এটার উত্তর বুঝতে চান তা নাহলে ছাতার মাথা কিছুই বুঝবেন না। মুসলিমরা যদি ব্যবসা করি হালাল জিনিস নিয়ে তাহলে এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।তাহলে পিস টেকনোলজিতে হারাম কি আছে?এগুলো তো মুসলিমদেরই তৈরী।ইহুদী/খ্রিষ্টানদের তৈরী সবকিছু দিয়ে নিজের জীবন-যাপন করছেন আবার তাদের পণ্যের পিছনে টাকা ব্যয় করতে পারছেন তবে মুসলিমরা সেগুলো করলে সমস্যা কি?বরং এ টাকাগুলো দিয়ে পিস টেকনোলজি ব্যবহার করছেন সেগুলো কিন্তু "United Islamic Aid" এ যাচ্ছে যার পুরোটা অংশ যাচ্ছে বঞ্চিত মুসলিম ভাই,বোন এবং শিশুদের জন্য এবং আলহামদুলিল্লাহ একটি সুন্দর জীবন যাপন করতে পারছে।তাহলে এখানে সমস্যাটা কই?আচ্ছা কাপড় নিয়ে ব্যবসার করা কি হারাম না হালাল?সুশীল কাপড় দিয়ে ব্যবসা করলে কোনো সমস্যা নাই তবে অশ্লীল কাপড়ে করলে সমস্যা।ইমাম আবু হানিফও তো কাপড়ের ব্যবসা করত তেমনি কাপড়ে যেমন ভালো খারাপ প্রকারভেদ আছে তেমনি মোবাইলেও আছে।তাহলে ভালো কাজে ব্যবহার করলে সমস্যা কই?এখানেও আবার দু মুখী নীতি কেন?ওয়াহাই?কৃষ্ণ করলে লীলা খেলা আর আমি করলেই দোষ?
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
চমৎকার লেখা
উত্তরমুছুনthanks vai onek valo kotha bolcen.
উত্তরমুছুনভালো
উত্তরমুছুন