ইসলাম বিদ্বেষীদের হাজার হাজার অপবাদের মধ্যে একটি হলো যে আসমা বিনতে মারওয়া এবং কা'ব আল আশরাফ নামক দুজন কবি রসূল (স) কে নিয়ে ব্যঙ্গ কবিতা লেখার কারণে রসূল (স) তাদের হত্যার হুকুম দিয়েছেন।
-- কাআব আসরাফ শুধু মাত্র একজন কবি ছিলেন না যে, নবীজিকে নিয়ে পচিয়ে কবিতা লিখেছে । কাআব আশরাফকে হত্যার কারন গুলো নিচে বর্ননা করছি :
১) প্রথমত, নবীকে নিয়ে আর মুসলিমদের, মুসলিম নারীদের নিয়ে বাজে কবিতা রচনা করতেন। ইবনে ইসহাক লিখেছেন,
“ Ka’b then returned to Medina where he composed verses suggestive about the Muslim women and critical of the prophet (SAAS) and his followers.
২) সে কুরায়েশদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলো। তিনি মুহাম্মদ সাঃ কে হত্যার জন্য শত্রুদের উত্তেজিত করে তুলতো। শত্রুদের সঙ্গে মিশে থাকলে সে শত্রু হয়েই যায়, আর সে মারামারির জন্য উত্তেজিত করে রাখতেন কুরায়েশদের। এটা একটা বড় ক্রাইম। দুই দলের মধ্যে কেউ যদি যুদ্ধ লাগাতে চায় তাহলে তাকে হত্যা করাই ভালো।
“Ka’b b. al- Ashraf was of Banu al- Nadir, or associated with them, he harmed the messenger of God (SAAS) by ridiculing him in verse AND HE RODE TO QURAYSH TO INCITE THEM FURTHER.
৩) সে ছিলো নিমকহারাম। সে ইহুদী ছিলো কিন্তু আবু সুফিয়ান যখন তাকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার মতে কারা সঠিক পথে আছে, কাদের ধর্ম সঠিক ? মুহাম্মদের সঙ্গীরা নাকি আমরা? তখন আসরাফ জবাব দিয়েছিলো, কুরায়েশরা। আপনিই চিন্তা করেন যেখানে নবীজি এক ঈশ্বরের দিকে ডাকছেন সেখানে সে এক ঈশ্বরের বদলে ৩৬০ টা মূর্তিপূজারকদের সঠিক বলেছে। এটা তার নিজের ধর্মেরই বিরুদ্ধে যায়। তাওরাতে দেখা যায় ঈশ্বর মূর্তিপূজার জন্য বনী ঈসরাইলদের হত্যা পর্যন্ত করেছেন। সেখানে একজন ইহুদী যদি মূর্তিপূজার সমর্থন করে তাহলে সে তার ধর্মের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। এটা থেকে এটাই প্রমানিত হয় যে, সে কুরায়েশদের সঙ্গে মিশেছিলো চামচার মতো। বস যা বলে চামচা সে মোতাবেক চলে, বলতে গেলে বলা যায় ও ছিলো রাজাকার এর মতো। আর রাজাকারকে মারা তো আরও জরুরী ।
" Abu Sufyan, in Mecca, asked him, ‘ In your view, I pray you tell me, which religion is more favored by God, that of Muhammad and his friends, or our own? Which of us do you think, is more correct and appropriate? We slaughter our meat generously, give milk-topped water
to drink, providing food for all sundry who come.’ “Ka’b b al-Ashraf replied, ‘ You are better-guided in your path than they are ""
এতে পরিষ্কার যে আবু আসরাফ একজন মুসলিম, ইসলাম, নবী, আল্লাহ্, এর বিরুদ্ধে শত্রু ছিলেন মূখ্য পর্যায়ের। তিনি শুধুই একজন কবি ছিলেন এটা ভুল ধারনা। তাকে হত্যার অনেক গুলো কারন উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদিসে কি লেখা আছে দেখা যাক,
( বুখারী, জিহাদ, ২৮২০)
আবদুল্লাহ ইবনুূু মুহাম্মদ (রহঃ) জাবির (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কাব’ ইবনুূু আসরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিবে? তখন মুহাম্মদ ইবনুূু মাসলামা (রাঃ) বললেন, ‘আপনি কি এ পছন্দ করেন যে, আমি তাকে হত্যা করি?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। মুহাম্মদ ইবনুূু মাসলামা (রাঃ) বললেন, ‘তবে আমাকে অনুমতি দিন, আমি যেন তাকে কিছু বলি। ’ তিনি বললেন, ‘আমি অনুমতি প্রদান করলাম।
এই হাদিসে কিন্তু কোথাও বলা হয় নি নবীজি দুঃক্ষ পেয়েছে বলেই তাকে হত্যা করতে হবে।
হাদিসকে ডিফর্মিং???
এবারে আসছি, আসমা বিনতে মারওয়ার গল্পে। প্রথমে আমরা দেখবো গল্পটি কে বলেছে। যে বলেছে সে কি নির্ভরযোগ্য সূত্র কিনা, আমরা উইকিপিডিয়া কে নিরপেক্ষ সূত্র ধরলে সেখানে পাই,
http://en.wikipedia.org/wiki/'Asma'_bint_Marwan
এই গল্প বর্ননা করেছেন এভাবে, বর্ননার ক্রমধারা চলেছে এভাবে,
Ibn Sa'd → Al-Waqidi → 'Abd Allah ibn al-Harith ibn al-Fudayl → Al-Harith ibn al-Fudayl
এই বর্ননা কারীদের মধ্যে দ্বিতীয় জন, অর্থাৎ Al-Waqidi।
ছিলেন কপোট, কাল্ট, ইসলামের শত্রু। তিনি নবীজির নামে ২০, ০০০ টা মিথ্যা হাদিস বর্ননা করেছেন। ইমাম বুখারী রাঃ তার কাছ থেকে কোনো হাদিস ই নেন নি, কারন সে ছিলো মিথ্যুক।
Al-Waqidi has been condemned as an untrustworthy narrator and has been frequently and severely criticized by scholars, thus his narrations have been abandoned by the majority of hadith scholars.[3] Yahya ibn Ma'een said: "Al-Waqidi narrated 20,000 false hadith about the prophet". Al-Shafi'i, Ahmad ibn Hanbal and Al-Albani[2] said: "Al-Waqidi is a liar" while Al-Bukhari said he didn't include a single letter by Al-Waqidi in his hadith works.
In addition, this isnad is discontinued (muʻḍal) as Al-Harith ibn al-Fudayl never met any of Muhammad's companions.[3]
2 is al waqidi
3 is ibn hisham
এর পরে Al-Waqidi এর পরে যারা গল্পটি বর্ননা করেছে তারা হলো যথাক্রমে, 'Abd Allah ibn al-Harith ibn al-Fudayl → Al-Harith ibn al-Fudayl এই দুজন কোনো সাহাবীর সাথেই মিশেন নি। তারা সাহাবীদের সাথে কখনো কথা বলার সুযোগ পান নি, বা কোনো সাহাবীর কাছ থেকে এই বানি শুনেন নি। তাই এই বানিটা সঠিক না।
এখন বলতে পারেন তাইলে ইবনে ইসহাক এই গল্প জুড়েছেন কেণো? আপনি যদি ইবনে ইসহাক বা যে কোনো সিরাত রাসূল গ্রন্থ পড়েন সেখানে এরকম অনেক গল্প থাকে যেগুলো সত্য না। এগুলো উল্লেখিত থাকে।
তাছাড়া এটা ইসলামিক মৌলিক শিক্ষার পরিপন্থী । কারন, ইসলামে এটা কড়া করে নিষিদ্ধ মহিলা শিশু বিদ্ধকে হত্যা করা যাবে না।
যেমন, নিচের হাদিস টি দেখেন,
Narrated Anas bin Malik: A Jewish woman brought a poisoned (cooked) sheep for the Prophet who ate from it. She was brought to the Prophet and he was asked, "Shall we kill her?" He said, "No." I continued to see the effect of the poison on the palate of the mouth of God’s Apostle. ( Sahih al-Bukhârî, Vol. 3, Bk. 47, No. 786)
নবীজিকে বিষ খাওয়ানোর পর ইহুদী মহিলাটিকে মারা হলো না, নবীজি নিজেই বললেন এটা । আর সামান্য কবিতা লেখার জন্য মারওয়ার কে মারার প্রশ্নই আসে না।
Narrated Ibn 'Umar: Messenger of God (peace be upon him) saw the corpse of a woman who had been slain in one of the raids, and he disapproved of it and FORBADE the killing of WOMEN and CHILDREN . ( Ibid., Vol. 4, Bk. 52, No. 257 & 258. Also see Mutta Malik, Book 21, Section 3, Number 9)
সুতরাং, আপনি যেটাকে সহিহ ইসলাম প্রমান করতে চেয়েছেন তা সফল হয় নি।
প্রথমত, এই গল্প গত শতাব্দীতে লেখা বই থেকে যদি দেখাতে পারি তাহলে আপনি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করবেন? ( আবার বলবেন না যেনো লোভ দেখাচ্ছি। আপনার ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে হবে না। ইসলামে মিথ্যুক এর যায়গা নাই। এমনিই বললাম, আমার দাবীর প্রতি আমার কতোটা ভরসা তা প্রমানের জন্য। যদি চান তাহলে একটু খাটাখাটি করে জোগাড় করবো। এবারে আসি আপনার মূল অজ্ঞতা প্রমানের যায়গায় । আপনি বললেন,
" মারওয়ার গল্প অরিজিনাল প্রায় প্রত্যেকটি সিরাহতেই
উল্লেখ আছে। "
অরিজিনাল বা মৌলিক যাই বলেন, মনে হয় যতোদূর জানি আপনি তিনটা বইয়ের নামই বলতে পারবেন না যেখানেএই গল্প সঠিক বলা হয়েছে আর এটা ১০০% বলা হয়েছে। যতো গুলো ইসলাম বিদ্ধেষী সাইটে এই লেখা পড়েছি, সব যায়গায় এই তাবারী গ্রন্থেরই রেফারেন্স দেওয়া আছে। তারপরেও যদি বলেন আছে, তাহলে দু একটা দেখান।
আমরা সহিহ জিনিস ছাড়া কোনো হাদিস, দলিল ছাড়া কিছুই মানি না।
আপনি আবারও অজ্ঞ প্রমানিত হলেন,
আর যেভাবে আমি উল্লেখ করেছি,
yhya ibn Ma'een said: "Al-Waqidi narrated 20,000 false hadith about the prophet". Al-Shafi'i, Ahmad ibn Hanbal and Al-Albani[2] said: "Al- Waqidi is a liar" while Al-Bukhari said he didn't include a single letter by Al-Waqidi in his hadith works.
সরল বাংলাঃ ইয়াহিয়া ইবনে মাইন বলেছেন, আল ওয়াকিদ ২০০০০ টা মিথ্যা হাদিস বর্ননা করেছে নবীজির সম্পর্কে। সালাফি আহমেদ ইবনে হাম্বল এবং আল আলবানি বলেছেন, আল ওয়াকিদ একজন মিথ্যুক। বুখারী তার হাদিস সংগ্রহে সে ওয়াকিদের একটাও হাদিস বর্ননা করে নি। ""
এরা সবাই প্রাচীন কালের লোক। ইয়াহিয়া ইবনে মাইন এর জন্ম, ১৫৮ হিজরি সালে । ইবনে হাম্বল রাঃ জন্ম ১৬৪ হিজরি সালে, বুখারী রাঃ জন্ম ১৯৪ সালে।
তাহলে দেখা যাচ্ছে ইনারা বলছেন যে, এই গল্প বর্ননাকারী মিথ্যা তো এটা মিথ্যা হবে না তো কার টা মিথ্যা হবে। যারা যারা বলেছে এই বর্ননা মিথ্যা তারা সবাই প্রসিদ্ধ ইসলামিক ইস্কলার, যাদের ভক্ত আমি সহ কোটি কোটি মুসলিম।
-- কাআব আসরাফ শুধু মাত্র একজন কবি ছিলেন না যে, নবীজিকে নিয়ে পচিয়ে কবিতা লিখেছে । কাআব আশরাফকে হত্যার কারন গুলো নিচে বর্ননা করছি :
১) প্রথমত, নবীকে নিয়ে আর মুসলিমদের, মুসলিম নারীদের নিয়ে বাজে কবিতা রচনা করতেন। ইবনে ইসহাক লিখেছেন,
“ Ka’b then returned to Medina where he composed verses suggestive about the Muslim women and critical of the prophet (SAAS) and his followers.
২) সে কুরায়েশদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলো। তিনি মুহাম্মদ সাঃ কে হত্যার জন্য শত্রুদের উত্তেজিত করে তুলতো। শত্রুদের সঙ্গে মিশে থাকলে সে শত্রু হয়েই যায়, আর সে মারামারির জন্য উত্তেজিত করে রাখতেন কুরায়েশদের। এটা একটা বড় ক্রাইম। দুই দলের মধ্যে কেউ যদি যুদ্ধ লাগাতে চায় তাহলে তাকে হত্যা করাই ভালো।
“Ka’b b. al- Ashraf was of Banu al- Nadir, or associated with them, he harmed the messenger of God (SAAS) by ridiculing him in verse AND HE RODE TO QURAYSH TO INCITE THEM FURTHER.
৩) সে ছিলো নিমকহারাম। সে ইহুদী ছিলো কিন্তু আবু সুফিয়ান যখন তাকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার মতে কারা সঠিক পথে আছে, কাদের ধর্ম সঠিক ? মুহাম্মদের সঙ্গীরা নাকি আমরা? তখন আসরাফ জবাব দিয়েছিলো, কুরায়েশরা। আপনিই চিন্তা করেন যেখানে নবীজি এক ঈশ্বরের দিকে ডাকছেন সেখানে সে এক ঈশ্বরের বদলে ৩৬০ টা মূর্তিপূজারকদের সঠিক বলেছে। এটা তার নিজের ধর্মেরই বিরুদ্ধে যায়। তাওরাতে দেখা যায় ঈশ্বর মূর্তিপূজার জন্য বনী ঈসরাইলদের হত্যা পর্যন্ত করেছেন। সেখানে একজন ইহুদী যদি মূর্তিপূজার সমর্থন করে তাহলে সে তার ধর্মের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। এটা থেকে এটাই প্রমানিত হয় যে, সে কুরায়েশদের সঙ্গে মিশেছিলো চামচার মতো। বস যা বলে চামচা সে মোতাবেক চলে, বলতে গেলে বলা যায় ও ছিলো রাজাকার এর মতো। আর রাজাকারকে মারা তো আরও জরুরী ।
" Abu Sufyan, in Mecca, asked him, ‘ In your view, I pray you tell me, which religion is more favored by God, that of Muhammad and his friends, or our own? Which of us do you think, is more correct and appropriate? We slaughter our meat generously, give milk-topped water
to drink, providing food for all sundry who come.’ “Ka’b b al-Ashraf replied, ‘ You are better-guided in your path than they are ""
এতে পরিষ্কার যে আবু আসরাফ একজন মুসলিম, ইসলাম, নবী, আল্লাহ্, এর বিরুদ্ধে শত্রু ছিলেন মূখ্য পর্যায়ের। তিনি শুধুই একজন কবি ছিলেন এটা ভুল ধারনা। তাকে হত্যার অনেক গুলো কারন উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদিসে কি লেখা আছে দেখা যাক,
( বুখারী, জিহাদ, ২৮২০)
আবদুল্লাহ ইবনুূু মুহাম্মদ (রহঃ) জাবির (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কাব’ ইবনুূু আসরাফকে হত্যা করার দায়িত্ব কে নিবে? তখন মুহাম্মদ ইবনুূু মাসলামা (রাঃ) বললেন, ‘আপনি কি এ পছন্দ করেন যে, আমি তাকে হত্যা করি?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। মুহাম্মদ ইবনুূু মাসলামা (রাঃ) বললেন, ‘তবে আমাকে অনুমতি দিন, আমি যেন তাকে কিছু বলি। ’ তিনি বললেন, ‘আমি অনুমতি প্রদান করলাম।
এই হাদিসে কিন্তু কোথাও বলা হয় নি নবীজি দুঃক্ষ পেয়েছে বলেই তাকে হত্যা করতে হবে।
হাদিসকে ডিফর্মিং???
এবারে আসছি, আসমা বিনতে মারওয়ার গল্পে। প্রথমে আমরা দেখবো গল্পটি কে বলেছে। যে বলেছে সে কি নির্ভরযোগ্য সূত্র কিনা, আমরা উইকিপিডিয়া কে নিরপেক্ষ সূত্র ধরলে সেখানে পাই,
http://en.wikipedia.org/wiki/'Asma'_bint_Marwan
এই গল্প বর্ননা করেছেন এভাবে, বর্ননার ক্রমধারা চলেছে এভাবে,
Ibn Sa'd → Al-Waqidi → 'Abd Allah ibn al-Harith ibn al-Fudayl → Al-Harith ibn al-Fudayl
এই বর্ননা কারীদের মধ্যে দ্বিতীয় জন, অর্থাৎ Al-Waqidi।
ছিলেন কপোট, কাল্ট, ইসলামের শত্রু। তিনি নবীজির নামে ২০, ০০০ টা মিথ্যা হাদিস বর্ননা করেছেন। ইমাম বুখারী রাঃ তার কাছ থেকে কোনো হাদিস ই নেন নি, কারন সে ছিলো মিথ্যুক।
Al-Waqidi has been condemned as an untrustworthy narrator and has been frequently and severely criticized by scholars, thus his narrations have been abandoned by the majority of hadith scholars.[3] Yahya ibn Ma'een said: "Al-Waqidi narrated 20,000 false hadith about the prophet". Al-Shafi'i, Ahmad ibn Hanbal and Al-Albani[2] said: "Al-Waqidi is a liar" while Al-Bukhari said he didn't include a single letter by Al-Waqidi in his hadith works.
In addition, this isnad is discontinued (muʻḍal) as Al-Harith ibn al-Fudayl never met any of Muhammad's companions.[3]
2 is al waqidi
3 is ibn hisham
এর পরে Al-Waqidi এর পরে যারা গল্পটি বর্ননা করেছে তারা হলো যথাক্রমে, 'Abd Allah ibn al-Harith ibn al-Fudayl → Al-Harith ibn al-Fudayl এই দুজন কোনো সাহাবীর সাথেই মিশেন নি। তারা সাহাবীদের সাথে কখনো কথা বলার সুযোগ পান নি, বা কোনো সাহাবীর কাছ থেকে এই বানি শুনেন নি। তাই এই বানিটা সঠিক না।
এখন বলতে পারেন তাইলে ইবনে ইসহাক এই গল্প জুড়েছেন কেণো? আপনি যদি ইবনে ইসহাক বা যে কোনো সিরাত রাসূল গ্রন্থ পড়েন সেখানে এরকম অনেক গল্প থাকে যেগুলো সত্য না। এগুলো উল্লেখিত থাকে।
তাছাড়া এটা ইসলামিক মৌলিক শিক্ষার পরিপন্থী । কারন, ইসলামে এটা কড়া করে নিষিদ্ধ মহিলা শিশু বিদ্ধকে হত্যা করা যাবে না।
যেমন, নিচের হাদিস টি দেখেন,
Narrated Anas bin Malik: A Jewish woman brought a poisoned (cooked) sheep for the Prophet who ate from it. She was brought to the Prophet and he was asked, "Shall we kill her?" He said, "No." I continued to see the effect of the poison on the palate of the mouth of God’s Apostle. ( Sahih al-Bukhârî, Vol. 3, Bk. 47, No. 786)
নবীজিকে বিষ খাওয়ানোর পর ইহুদী মহিলাটিকে মারা হলো না, নবীজি নিজেই বললেন এটা । আর সামান্য কবিতা লেখার জন্য মারওয়ার কে মারার প্রশ্নই আসে না।
Narrated Ibn 'Umar: Messenger of God (peace be upon him) saw the corpse of a woman who had been slain in one of the raids, and he disapproved of it and FORBADE the killing of WOMEN and CHILDREN . ( Ibid., Vol. 4, Bk. 52, No. 257 & 258. Also see Mutta Malik, Book 21, Section 3, Number 9)
সুতরাং, আপনি যেটাকে সহিহ ইসলাম প্রমান করতে চেয়েছেন তা সফল হয় নি।
প্রথমত, এই গল্প গত শতাব্দীতে লেখা বই থেকে যদি দেখাতে পারি তাহলে আপনি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করবেন? ( আবার বলবেন না যেনো লোভ দেখাচ্ছি। আপনার ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে হবে না। ইসলামে মিথ্যুক এর যায়গা নাই। এমনিই বললাম, আমার দাবীর প্রতি আমার কতোটা ভরসা তা প্রমানের জন্য। যদি চান তাহলে একটু খাটাখাটি করে জোগাড় করবো। এবারে আসি আপনার মূল অজ্ঞতা প্রমানের যায়গায় । আপনি বললেন,
" মারওয়ার গল্প অরিজিনাল প্রায় প্রত্যেকটি সিরাহতেই
উল্লেখ আছে। "
অরিজিনাল বা মৌলিক যাই বলেন, মনে হয় যতোদূর জানি আপনি তিনটা বইয়ের নামই বলতে পারবেন না যেখানেএই গল্প সঠিক বলা হয়েছে আর এটা ১০০% বলা হয়েছে। যতো গুলো ইসলাম বিদ্ধেষী সাইটে এই লেখা পড়েছি, সব যায়গায় এই তাবারী গ্রন্থেরই রেফারেন্স দেওয়া আছে। তারপরেও যদি বলেন আছে, তাহলে দু একটা দেখান।
আমরা সহিহ জিনিস ছাড়া কোনো হাদিস, দলিল ছাড়া কিছুই মানি না।
আপনি আবারও অজ্ঞ প্রমানিত হলেন,
আর যেভাবে আমি উল্লেখ করেছি,
yhya ibn Ma'een said: "Al-Waqidi narrated 20,000 false hadith about the prophet". Al-Shafi'i, Ahmad ibn Hanbal and Al-Albani[2] said: "Al- Waqidi is a liar" while Al-Bukhari said he didn't include a single letter by Al-Waqidi in his hadith works.
সরল বাংলাঃ ইয়াহিয়া ইবনে মাইন বলেছেন, আল ওয়াকিদ ২০০০০ টা মিথ্যা হাদিস বর্ননা করেছে নবীজির সম্পর্কে। সালাফি আহমেদ ইবনে হাম্বল এবং আল আলবানি বলেছেন, আল ওয়াকিদ একজন মিথ্যুক। বুখারী তার হাদিস সংগ্রহে সে ওয়াকিদের একটাও হাদিস বর্ননা করে নি। ""
এরা সবাই প্রাচীন কালের লোক। ইয়াহিয়া ইবনে মাইন এর জন্ম, ১৫৮ হিজরি সালে । ইবনে হাম্বল রাঃ জন্ম ১৬৪ হিজরি সালে, বুখারী রাঃ জন্ম ১৯৪ সালে।
তাহলে দেখা যাচ্ছে ইনারা বলছেন যে, এই গল্প বর্ননাকারী মিথ্যা তো এটা মিথ্যা হবে না তো কার টা মিথ্যা হবে। যারা যারা বলেছে এই বর্ননা মিথ্যা তারা সবাই প্রসিদ্ধ ইসলামিক ইস্কলার, যাদের ভক্ত আমি সহ কোটি কোটি মুসলিম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন